বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর এমওডিসি সৈনিক কি ? এবং এর কাজ কি? বেতন কত, অন্যান্য সুবিধা।
MODC Soilder Of Bangladesh Army
এমওডিসি সৈনিক কি ? এর কাজ কি?
আমাদের মাঝে বেশির ভাগ প্রার্থী রয়েছে যারা এমওডিসি সৈনিক পদে যোগ দিতে চান আবার অনেকে জানেন না যে এমডিসি সৈনিক কি এবং এর কাজ
কি ইত্যাদি আরো
অনেক প্রশ্ন তাই আশা করি আজকের এই পুরো আর্টকেলটি পড়লে আপনাদের সেই প্রশ্নের উত্তর পেয়ে যাবেন।
আমাদের সকলের মনে যেই প্রশ্ন গুলো রয়েছে ।
১. এমওডিসি এর পূর্ণরূপ কি?
২. এই
পদে যোগদানের জন্য কি কি যোগ্যতা থাকা প্রয়োজন?
৩. এসওডিসি সৈনিকের কাজ কি?
৪.এই পদে যোগদান করলে
কি কি সুযোগ সুবিধা পাওয়া যাবে?
৫. এমওডিসি সৈনিক এবং
সাধারণ সৈনিকের মধ্যে কি কি পার্থক্য রয়েছে?
৬. এমওডিসি সৈনিক কিভাবে
নির্বাচন করা হয়।
তো বন্ধুরা এবার এর উত্তর জেনে নেওয়া যাক।
১. এমওডিসি এর পূর্ণরূপ কি?
Ministry of Defence Constabulary (মিনিস্ট্রি অব ডিফেন্স কনস্ট্যাবিউলারি)
২. এই পদে যোগদানের জন্য কি কি যোগ্যতা থাকা প্রয়োজন ?
(ক) শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ
এসএসসি/ সমমান পরীক্ষা জিপিএঃ ২.০০ পেয়ে উত্তির্ণ।
(খ) শ্যারিরীক যোগ্যতাঃ
বয়স : বিজ্ঞপ্তির উল্লেখিত তারিখে ১৭
থেকে
২৫
বছরের
।
উচ্চতাঃ ৫ ফুট ৬ ইঞ্চি।
বুকের মাপঃ স্বাভাবিক
অবস্থায় ৩০ প্রসারিত অবস্থায় ৩২ ইঞ্চি।
দৃষ্ঠিশক্তি : ৬/৬ থাকতে
হবে।
এমওডিসি সৈনিকদের কাজ হলো ক্যান্টনমেন্ট গার্ড দেয়া। এমওডিসি সৈনিকরা সেনা, নৌ অথবা বিমানবাহিনীর ঘাঁটির বিভিন্ন গেটের নিরাপওা প্রদানের জন্য গার্ড হিসেবে দায়িত্ব পালন করে। তাছাড়া তারা তাদের
উদ্ধোতন কর্মকর্তার যে কোনো আদেশ মানতে বাধ্য থাকে।
৪. এই পদে যোগদান করলে কি কি সুযোগ সুবিধা পাওয়া যাবে?
প্রথমে আমাদের মনে যেই প্রশ্নটি থাকে এই পদে বেতন কত? প্রশিক্ষণ চলাকালীন ৯০০০- ৯৫০০ টাকা বেতন দেয়া হবে এবং স্থায়ীভাবে নিযুক্ত করার পরে আপনাকে ৯৫০০ – ২১,৫০০ টাকা বেতন দেয়া হবে।। তাছাড়াও অন্যান সুযোগ সুবিধা যেমনঃ রেশন ও ভাতা থেকে শুরু করে সকল প্রকার সুযোগ সুবিধা তারা পেয়ে থাকে। সামরিক হাসপাতালে নিজ স্ত্রী, সন্তান, পিতা -মাতা শ্বশুড়- শাশুড়ির চিকিৎসা, বিনামূল্যে, পোশাক পরিচ্ছেদ, সেনাবাহিনী কর্তৃক পরিচালিত বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সন্তানদের পড়াশোনা ইত্যাদি সহ সকল প্রকার সুযোগ সুবিধা পেয়ে থাকে।
৫. এমওডিসি সৈনিক এবং সাধারণ সৈনিকের মধ্যে কি কি পার্থক্য রয়েছে?
এমওডিসি সৈনিক ও
সাধারণ সৈনিকের মধ্যে তেমন কোনো পার্থক্য নাই বললেই চলে। তবে তার মধ্যে কিছু ছোট
খাটো পার্থক্য রয়েছে । যেমন সাধারণ সৈনিকেরা সবাই মিশন পেলেও অপরদিকে একজন এমওডিসি
সৈনিকদের মিশনে দেওয়া হয় না। তাছাড়া একজন সাধারণ সৈনিকের কাজ দেশের যে কেনো যায়গায়
হতে পারে কিন্তু এমওডিসি সৈনিকের কাজ হচ্ছে নিরাপত্তা প্র্রহরি হিসাবে কাজ করা।
৬. এমওডিসি সৈনিক কিভাবে
নির্বাচন করা হয়?
এমওডিসি পদে নিয়োগ প্রক্রিয়া টি ৩ ভাবে সম্পন্ন হয়। যথা :
(ক) শারীরিক সক্ষমতা ও লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে
(খ) চূড়ান্ত ডাক্তারি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে
(গ) মৌখিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে
এই ৩ টি ধাপে আপনাদেরকে ৩ টি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে যারা উত্তীর্ণ হবেন, তারা এমওডিসি পদে নিযুক্ত হতে পারবেন।
পরিশেষে
তাই আপনারা যারা এসএসসি তে
২.০০ পেয়ে সেনা,নৌ,বিমান বাহিনীতে যোগ দিতে চান তাদের জন্য এটাই সূবর্ণ সুযোগ।
সেনাবহিনীর সৈনিক পদে যোগ দিতে গেলে এসএসসিতে নূন্যতম জিপিএ লাগে ৩.০০। কিন্তু
আপনারা যারা এসএসসিতে ২.০০ পেয়েছেন কিন্তু আপনাদের স্বপ্ন ছিল সেনাবাহিনীতে যোগ
দেওয়া কিন্তু আপনার পয়েন্ট কম থাকার কারণে সৈনিক পদে যোগ দিতে পারতেছেন না। তারা
চাইলে এমওডিসি পদে যোগ দিতে পারেন। এই পদটি সৈনিকের মতোই বললেই চলে।
No comments